Description
কল্পকথায় নানা আশ্চর্যজনক জিনিস ঘটে থাকে। আবার সত্য ঘটনা কখনো কখনো সে সব কিছুকেই ছাপিয়ে যায়। সত্য এবং কল্পনার ভেদহীন অপরূপ এক মিশ্রণ কিন্তু পাঠককে পৌঁছে দেয় অনাস্বাদিতপূর্ব এক স্তরে।
প্রাচীন এক ট্রাঙ্কের মধ্যে পড়ে থাকা ধুলোয় মলিন নিকি বাইজির ছবি থেকে নিকি বেরিয়ে এসে এক মধ্যরাতে নাচ আর গানে মাত করে দিয়েছিল বাবুদের আসর। সত্য আর বিভ্রম আশ্চর্য ভাবে মিশে গেছে ‘সেদিনের সেই রূপসী’তে।
‘আকস্মিক অভিযান’ এক আশ্চর্য অভিযান। ঘটনাচক্রে এক বাঙালি অভিযাত্রী দুর্গম পথে সাহারা পেরুবার ঝুঁকি নিয়েছিল। সঙ্গী ছিল রসদবোঝাই দুটি উট। অন্তহীন বালুকারাশির মধ্যে ঘটে গেছে রোমাঞ্চকর নানা ঘটনা। ভৌগোলিক তথ্য, ইতিহাস ও কল্পনা এখানে মিশেছে আশ্চর্য এক বিন্দুতে।
‘অলৌকিকের সন্ধানে’ প্রধান চরিত্রটি এমন একজনের সন্ধান পেয়েছিল যে নাকি সারা জীবনে খাদ্য ও পানীয় ছাড়াই সুস্থ শরীরে বেঁচে আছে। এ কি সম্ভব? ক্রিয়াযোগ নাকি এটি পারে। তার শরীরে পুষ্টি আসে রোদ্দুর ও বাতাস থেকে। বিজ্ঞানেও নাকি এর সমর্থন আছে। কী হয়েছিল শেষ পর্যন্ত?
‘রেসকোর্সের পাশের রাস্তা’য় রাত দুটোর সময় নাকি ভূতের উপদ্রব হয়। ভুক্তভোগী এই সুন্দরী এই রহস্য সমাধানের চেষ্টায় নেমেছিল। সেই রহস্য বাঁক নিয়েছিল আর এক রহস্যে।
‘মায়া মসলিন’ আর এক আশ্চর্য কাহিনি। মধ্যপ্রদেশের তিতোরিয়া জঙ্গলে অপরূপ সোনালি জালের মধ্যে মস্ত এক মাকড়শা চোখে পড়েছিল অনুপের। ওর সঙ্গী হয়ে সেই মাকড়শা পৌঁছে যায় কলকাতায়। তারপরেই শুরু হয়ে যায় অত্যাশ্চর্য সব কাণ্ডকারখানা। মানুষের শরীরের অতিরিক্ত চর্বি থেকে বোনা মসলিনের চেয়েও সূক্ষ্ম কাপড় ছড়িয়ে পড়ে দেশবিদেশে। বিচিত্র সব ঘটনার শেষে কেন আবার মাকড়শা আর অনুপ ফিরে গিয়েছিল তিতোরিয়ার সেই জঙ্গলে!
‘জননেতার জীবনকথা’য় মহান রাজনৈতিক নেতা রঙ বদলান গিরগিটির মতো। তাঁর অফিসিয়াল বায়োগ্রাফার গুছাইতও কম যায় না। এ কাহিনি বুঝি সব যুগের।
শেখর বসুর আকর্ষণীয় গদ্যের বুনটে এমন অসামান্য ছ’টি উপন্যাস স্থান পেয়েছে এই খণ্ডে, যেগুলি পড়তে শুরু করলে থামা যায় না। উপন্যাসগুলি প্রকাশিত হয়েছে আনন্দবাজার, দৈনিক স্টেটসম্যান, সানন্দা ইত্যাদি পূজাসংখ্যায়। একটি উপন্যাসের ধারাবাহিক প্রকাশ সাপ্তাহিক বর্তমান পত্রিকায়।



