Description
সাল ১৯৭৫।। ক্যালকাটা মেডিক্যাল কলেজে, একটি নাম পরিচয়হীন মেয়ের মৃতদেহ আনা হয় পোস্টমর্টেমের জন্য। যার হাতের সব আঙুল ছিল কাটা, মুখে গাঁথা ছিল অজস্র কাঁচের টুকরো, গলাও ছিল ফালা করে কাটা!! ডাক্তার পোস্টমর্টেম করতে গিয়ে আবিষ্কার করেন মেয়েটির বুকে সূঁচের সাহায্যে কিছু ছবি আঁকা হয়েছে। তিনি বুঝতে পারেন, মেয়েটি তন্ত্র সাধনার শিকার!! এরপরেই পোস্টমর্টেম ঘরে, ঘটে যায় একাধিক ভয়ঙ্কর ঘটনা। তারপর?? অপরাধ, তন্ত্র, অতীত, বর্তমান, ব্রহ্ম, নরবলি এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের সমন্বয়ে, সত্য ঘটনা অবলম্বনে, রচিত কাহিনী, ‘পোস্টমর্টেম’।
আতরের সুগন্ধ মানুষের দেহ ও মনকে আকর্ষিত করে। কিন্তু, যদি কোন আতরের ঘ্রাণ আকর্ষিত করে মৃত ব্যক্তির আত্মাকে? তখন? আতঙ্কের সেই মায়াজাল কাটিয়ে ওঠা কি সম্ভব হবে? অতীতে ঘটে যাওয়া একাধিক অপরাধ, যার ছায়া এসে পড়ে বর্তমানে।
কলকাতার কাশীপুর মহাশ্মশান এবং কাশ্মীরের পীরওয়াল গ্রামের কবরস্থানের ঘটনা জড়িয়ে যায়, একে অপরের সাথে!! ইতিহাসের অধ্যায়ে রহস্যের গন্ধ, শিহরণ জাগায় ‘মৃতঘ্রাণ’ উপন্যাসের প্রতিটি রন্ধ্র। সুলেখা মেমোরিয়াল হসপিটালের ৪৭৬ নম্বর ঘর। এক মানসিক রুগীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর পরে, বছর দশেক ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে আছে।সদ্য হাসপাতালে যোগদান করা একজন ডাক্তার, প্যারানরমাল অ্যাক্টিভিটির সন্ধানে
এক রাত্রে সেই ঘরে প্রবেশ করেন। তারপর… চরম ‘নৈঃশব্দ্য’!! কিন্তু, কেন?!?
রয়েছে এরকম অসংখ্য প্রশ্নের উত্তর, ‘রক্ততন্ত্রে’র প্রতিটি গল্প এবং উপন্যাসের ব্যবচ্ছেদে।।
