Description
প্রফুল্ল বিষাদ এক নারীর গল্প। এক অতি সাধারণ নারী— বাবা, মা এবং দিদিদের ছায়ায় বেড়ে ওঠা এক আদুরে কন্যা। অথচ, বৈপরিত্য ছিল তাঁর জীবনের মূল সুর। ব্রাহ্ম এবং হিন্দু ধর্মের মধ্যে তিনি যেন এক সেতুর মতন বেড়ে উঠেছিলেন। হিন্দুদের আচার-ক্রিয়া, ব্রাহ্ম ধর্মের নিয়ম সবটাই তিনি ভক্তিভরে স্থান দিয়েছিলেন আপন হৃদয়ে ৷ জীবনের বাঁকে প্রফুল্লময়ী কখনো কোমল, কখনো কঠিন, কখনো দৃঢ়, কখনো নমনীয়। তিনি নিজে কখনো অনন্যা হয়ে ওঠার স্বপ্ন দেখেননি কিন্তু জীবনের গলিপথ বড়োই অদ্ভুত। নিয়তি এই সাধারণ কন্যাটিকে এনে ফেলেছিল কলকাতার বিখ্যাত জোড়াসাঁকো ঠাকুর পরিবারের সদস্যা রূপে। শিক্ষায়, সঙ্গীতে, আচারে, সামাজিকতায় প্রফুল্লময়ী সাধারণ থেকে হয়ে উঠলেন অনন্যা। আদরের প্রফুল্লময়ী হয়ে উঠলেন জোড়াসাঁকোর ঠাকুরপরিবারের ন’বউঠান। জীবন জুড়ে দেখেছেন অসংখ্য আপনজনের মৃত্যু। গর্বিত হয়েছেন সন্তান-গর্বে, ভোগ, ত্যাগ, সম্মান, বঞ্চনা– সব মিলিয়ে এই বর্ণময় আখ্যান অকল্পনীয়। এই উপন্যাস প্রফুল্লময়ী দেবীর এই দীর্ঘ জীবনের যাত্রাপথের ধারা অন্বেষণের এক সাধারণ প্রয়াস।
প্রফুল্ল বিষাদ
সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়
উপন্যাস