Description
প্রাক্তন সহকর্মী ও বান্ধবী নন্দিনীর অনুরোধে তাঁর জন্য মুকুন্দপুর অঞ্চলে একটি ফ্ল্যাট দেখতে যান কিংশুক রায়। ফ্ল্যাটটি তাঁকে যে দালাল দেখাতে নিয়ে যায়, সেই বাদল বারুই সেই রাতেই খুন হয়ে যায়। বাড়ি থেকে বের করে এনে গুলি করে মেরে ফেলে তাকে কেউ বা কারা। বাদলের মোবাইলের কল লগের সূত্র ধরে পুলিস কিংশুকের সন্ধান পায়। মার্ডার কেসে নাম জড়িয়ে যায় প্রাক্তন সিবিআই অফিসারের।
বাদল কেন খুন হল, তার চেয়েও বেশি যে প্রশ্নটা কিংশুককে ভাবাতে শুরু করে তা হল মৃত্যুর ঠিক আগে তাঁকে ফোন করে বাদল কী বলতে চাইছিল? এবং তাকে কিংশুকের অতীতের পরিচয় কে দিয়েছিল?
উত্তর খুঁজতে শুরু করেন প্রাক্তন গোয়েন্দা অফিসার। পুলিশকে সাধারণত এড়িয়েই চলেন তিনি, কিন্তু এক্ষেত্রে কেসের তদন্তকারী অফিসার এবং তাঁর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষই কিংশুককে অনুরোধ করেন তাঁদের অনুসন্ধানে যোগ দিতে।
অতঃপর বাদল বারুইয়ের জীবনের শেষ কয়েক ঘন্টায় কী কী ঘটেছিল, তা জানার জন্য তৎপর হয়ে ওঠেন কিংশুক। যতই কেসের গভীরে যেতে থাকেন তিনি, ততই স্পষ্ট হতে থাকে এক ভয়ংকর চক্রান্তের ইঙ্গিত এবং দেখা যায় অতীতের একাধিক মৃত্যু এবং ‘নিখোঁজ’-এর ঘটনার সঙ্গে যোগসূত্র আছে বাদলের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের!


