Description
পৌড়ি গাড়োয়ালের তরুণী নিমিশা সিং। দুচোখে তার পাঁচতারা হোটেলে কাজ করার স্বপ্ন। গোপেশ্বরের তরুণ দীপরাজ সাংবাদিক হতে চায়। দেরাদুনের কলেজ জীবন থেকেই দুজনে দুজনকে ভালোবেসে ফেলে। নিমিশা চাকরি পায় যমকেশ্বরের কাছে একটি বিলাসবহুল রিসর্ট ‘সাইলেন্ট ভ্যালিতে’। দীপরাজ তার কর্মজীবন শুরু করে ‘গাড়োয়াল পোস্ট’-এর সাংবাদিক হিসেবে। দেরাদুন শহরের বাইরে নতুন উপনগরী গড়ে তুলতে চায় রাজ্য সরকার। সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ওপর নজর পড়ে দিল্লির জমি মাফিয়া অনুপ কেডিয়ার। কেডিয়া দ্বারস্থ হন রাজ্যের এক প্রভাবশালী মন্ত্রীর। ‘নেচার স্টে’ প্রকল্প নিয়ে শুরু হয় পাওয়ার গেম। অন্যদিকে দীপাবলির রাতে নিখোঁজ হয়ে যায় নিমিশা। পাঁচ দিন পর চিলা ক্যানেল থেকে উদ্ধার হয় তার বিকৃত মৃতদেহ। পুলিশ জানায় দুর্ঘটনা। দীপের কলম গর্জে ওঠে। নিমিশার মৃত্যু নিয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে সোশ্যাল মিডিয়া। মেয়ের মৃত্যুর বিচার চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মহেন্দ্র সিং। সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। দীপাবলির রাতে কী ঘটেছিল সাইলেন্ট ভ্যালি রিসর্টে? কারা জড়িত ছিল ‘নেচার-স্টে’ প্রকল্পের দুর্নীতির নেপথ্যে? বাস্তব ঘেঁষা এই কাহিনির পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে ঘন কুয়াশার আস্তরণ। প্রেম, রাজনীতি, দুর্নীতি, অপরাধ, স্বজনপোষণ। প্রকৃতির ক্যানভাসে আঁকা বাস্তবধর্মী আখ্যান ‘কোহরা’।



