Description
ভয়, ভয়াবহ, ভয়ংকর- ইত্যাদি শব্দগুলো আমাদের পরলোকের প্রাণীদের সঙ্গে যুক্ত করে মানসিক ভাবে। হিমশীতল আতঙ্কে আমরা রুদ্ধবাক হয়ে পড়ি। কঙ্কালের হাড়ের খটাখট শব্দ যখন সিঁড়ি বেয়ে উঠে আসার কথা যখন পড়ি, আতঙ্কে যে রক্ত হিমশীতল হয়ে যায় না, এ কথা বলতে পারি না হাজার দিব্যি গেলেও। মৃত্যুর পরে ফের পিছুটানে ফিরে আসে যে আত্মা, সে পরিবারকে ছেড়ে যেতে চায় না। ফলে সেই বাড়ি হয়ে ওঠে হানাবাড়ি। জীবিত কেউ সেখানে বাস করতে পারে না। এই যে ভয়, ভয়ানক, ভয়াবহ দশা, এর বাইরে যদি একটু উঁকি দিই, তাহলে কী পাই? আত্মা আমাদের ভয় দেখাতে আসে কেন? সত্যিই কি ভয় দেখানোই তার কাজ? কে বলবে আত্মা কেন আসে? সে কী চায়? তার ভাষা কেউ কি বুঝবে না? চিরকাল একই বৃত্তে ঘুরে মরব আমরা? কেউ তো আছে, যে পরলোককে ভয় পায় না! পরলোকের প্রাণীদের সঙ্গে কথা বলতে জানে, কে আছে এমন? আছে একজন। নিশিকান্ত ঘড়াই। এই একজনের কথা নিয়েই নিশিযাপন ও চার ভয়!



