Description
একটি লোহার বন্ধ দরজা, একটি দীর্ঘ গোপন সুড়ঙ্গ এবং একটি পাতালকুঠুরি আগলে রাখা যখ- বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যাওয়া লেখক, সুবর্ণ গাঙ্গুলীর বাড়িটি এই সব কিছু নিয়েই রহস্যজনক। শোনা যায়, প্রায় ভেঙে পড়া পাচিলের আড়ালে দাঁড়িয়ে থাকা ও বাড়ির ভেতরে পলেস্তারা খসে পড়া দেওয়াল, ঘুন ধরা কাঠের রেলিং এবং একতলার একটি দরজার সামনে দাঁড়ালে সময় থমকে যায়। এমনকী এই বাড়ির মানুষদের অট্টহাসির সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিবে যায় ইলেকট্রিক আলো, দীর্ঘশ্বাসের বাতাসে উপড়ে যায় গাছেদের শিকড়। কথিত আছে, রহস্যজনক এই বাড়িটি নিজেই নাকি বেছে নেয় যখ হিসেবে এ-বাড়ির কোনো কোনো সদস্যদের। এইসবই কি সত্যি, নাকি নিছক গল্পকথা? কীসের টানে সাতাশ বছর পরে মাণ্ডবী ফিরে আসে এই গাঙ্গুলীবাড়িতে? কেন ওর জীবনের প্রতিটি আসন্ন বিপর্যয়ের আগে বার বার হিংস্র দুই চোখ নিয়ে ধরা দেয় স্কারলেট আইবিস নামের লাল রঙের একটা পাখি? মাণ্ডবী কি পারবে গাঙ্গুলীবাড়ির এই সব গোপন রহস্য ভেদ করতে? খুঁজে পাবে গোপন সুড়ঙ্গ অথবা পাতালকুঠুরি আগলে বসে থাকা যখেদের? নাকি ও নিজেই হয়ে উঠবে আধিপত্যবাদের নতুন সংজ্ঞা কোনো? এই সব কিছু নিয়েই রহস্যময় মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, ‘অদ্ভুত বিষণ্ণ যখেরা’।
এছাড়াও রয়েছে ভিন্ন স্বাদের আরও ছয়টি গল্প। লেখক ইমন অর্ণব তাঁর দ্বিতীয় গল্প সংকলনে মানুষের মনের অন্ধকার জগৎ; কাম-ক্রোধ, প্রতিহিংসা-প্রতিশোধ,
লোভ-লালসা এবং অবদমিত যৌনতার গাঢ় ধূসর রঙে ফুটিয়ে তুলেছেন কিছু অদ্ভুত বিষণ্ণ যখেদের ছবি।
